উজান ভাটির জীবন্ত রয়েল বেঙ্গল টাইগার মো: মুজিবুল হক চুন্নু.এমপি

বিশেষ প্রতিনিধি, ইমরান হোসাইন:
ইতিহাসে হাসে কিছু মানুষের জন্ম হয় আর সে ধীরে ধীরে মানুষের মনে জায়গা করে ন্যায় হিমালয়ের মতো বা বিশাল আকাশের মতো ।
সে হয়ে উঠে সকল মানুষের সকলের কাছে প্রিয় । যখন সে ব্যাক্তি থেকে সকল মানুষের জন্য এক সাহসী কন্ঠ হয় ।
দেশের বিভিন্ন উন্নায়ন খাত যখন দুর্নীতিতে ডুবে যাচ্ছিল তখন সাহস করে কাউকে বলতে দেখি নাই এমন গর্জন দিয়ে মহান সংসদে । তিনি বললেন গল্পের ছলে , বাংলাদেশে স্বাস্থ্য বিভাগে একটা পদের জন্য বিজ্ঞপ্তি হয়েছে, সেই পদের নাম হলো সফটওয়্যার ডেভেলপার। সেই পদে দরখাস্ত করেছেন বিল গেটস এবং জুকারবার্গ। দরখাস্ত করার পর সিভি পাঠিয়েছেন, যখন ইন্টারভিউ হবে বিল গেটস বুদ্ধিমান লোক সে বাংলাদেশের সমস্ত পরিস্থিতি জানলেন। ইন্টারভিউতে তাকে জিজ্ঞেস করা হলো রবীন্দ্রনাথের জন্ম কোথায়? কবি নজরুল কে? তিনি এটা পারলেন এবং তিনি চাকরি পেলেন। জুকারবার্গ পারলেন না, বিল গেটেসের চাকরি হলো।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো: মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, এরপর বিল গেটস তার অফিসে বসলেন। তখনই সবাই তাকে জিজ্ঞেস করল আপনি এতো বড় লোক আপনি কেন চাকরিতে গেলেন? তখন বিল গেটস বললেন আমরা একটা স্বপ্ন ছিল চাকরি করার, পাইনি দেখে ব্যবসা করে এতো পয়সা আয় করেছি। এখন আমার সেই স্বপ্নের চাকরি পেয়েছি বাংলাদেশে। তিনি সবার থেকে বিদায় নিয়ে আসলেন, বাংলাদেশ বিমানবন্দরে সাংবাদিকার জিজ্ঞেস করলেন আপনি কি স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশে আসলেন, বিষয়টা কি? বললেন স্বাস্থ্য অধিদফতর এমন একটা বিভাগ, যে এখানে চারটা ওয়েবসাইড উন্নয়ন করতে ১০ কোটি ৫০ লাখ লেগেছে। ৫টা ডাটাবেজ তৈরি করতে ১০ কোটি ৫০ লাখ টাকা লেগেছে এবং ৫টা কম্পিউটার কিনতে খরচ ৫৫ কোটি টাকা যা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে দামি।

তিনি আরও বলেন, যে বিভাগে একজন পিয়নের বউ দেড় হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে যায়। এই চাকরি করলে তো টাকা আর ব্যবসা করে কষ্ট করতে হয় না, সেজন্য আমি বিল গেটস চাকরিতে যোগ দিতে বাংলাদেশে যাচ্ছি।

এসময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে উদ্দেশে করে বলেন, আপনি লোহার সিন্দুকে ঢুকে গেছেন। লোহার সিন্দুক থেকে বের হন। আপনি হাসপাতালে যান। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান, রোগীর কাছে যান, ডাক্তার-নার্সরা রাত-দিন কাজ করছেন। ওনাদের কাছে যান। আপনি মাঝে মাঝে গোপন থেকে বিবৃতি দেন। এটা মানুষ গ্রহণ করছে না।

তিনি বলেন, আমরা এলাকায় যাচ্ছি, হাসপাতালে যাচ্ছি। আমাদের তো রোগ হতে পারে। আপনি বের হন। এভাবে চলে না।

বাজেটের সমালোচনা করে বলেন, গত বাজেটে রাজস্ব আয়ের মধ্যে এনবিআর থেকে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা। অথচ আজ (২৯ জুন) পর্যন্ত অর্জিত হয়েছে ২ লাখ ৫ বা ১০ হাজার কোাট টাকা। অর্থাৎ প্রায় ২০-২৫ শতাংশ রাজস্ব আদায় হয়নি। আগামী বাজেটে ৩ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে এটা আদায় করবেন কিভাবে? আদায় করতে হলে রাজস্ব বিভাগের কর্মদক্ষতা আরও ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করতে হবে।
আসলে আমরা কার ভয়ে সত্য কথা বলা ছেরে দিয়েছি । কেন সত্য সবার সামনে বলতে পাড়ি না । আমাদের অন্য সাংসাদের এই উজান ভাটির জীবন্ত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ” ‍মুজিবুল হক চুন্নু” কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। আমাদের আগামী প্রজন্ম যেন বলতে পাড়ে কিশোর গঞ্জ সত্য হিরার টূকরা জন্ম নেয় । আমাদের কাছে তিনি অতি সাধারন মানুষ । যেন আমাদের সাথে উজান ভাটির জীবন্ত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ” ‍মুজিবুল হক চুন্নুর সাথে এক কৃষক কামার কুমার তাটি শ্রমিক আর আমাদের সবার সাথে সুখ দুঃখ সমান ভাগ করে নেয়।
তিনি দেশ কে ভালবেসে ছাত্র অবস্থায় মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধে ১১ নং সেক্টরে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৮-৮০ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউনিট কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮০-৮৬ সাল পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু সহকারী জজ (বিসিএস জুডিশিয়াল) হিসেবে চাকুরী জীবন শুরু করেন। সমাজের সাধারন মানুষের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার জন্য তিনি ১৯৮৬ সালে চাকুরী ছেড়ে রাজনীতি শুরু করেন এবং পরবর্তীতে আইন পেশায় যোগ দেন।
আমি নতুন প্রজন্ম কে বলব – হে হে তরুণ হে কিশোর তুমি উজান ভাটির জীবন্ত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ” ‍মুজিবুল হক চুন্নু” তিনি পিতা মাতার জন্য সংসদে আইন পাশ চেয়েছেন- তার দেশ প্রেম তার আদর্শ দলের গোলামী করা না – উচিৎ কথা সত্য কথা বলার মতো যথেষ্ট সৎ সাহসী এই মহান ব্যাক্তি । আমি উনাকে কোন দিন নেতা হিসাবে দেখি না। আমার কাছে তিনি সেই ছোট বেলা থেকে এক আদর্শের নাম । জীবনে আমার সাথে মাত্র এক বার দেখা হয়েছিল তাও মাত্র ১৫ মিনিট হবে – আমি উনার হাতে এক পাক লাল চা খেয়েছি তার শোবাহান ব্যাগ বাসায় তাও ২০ বছর আগে । আমি রাজনিতিবিদ ‍মুজিবুল হক চুন্নু কে যতটা জানি তার চেয়ে বেশী জানি ব্যাক্তি উজান ভাটির জীবন্ত রয়েল বেঙ্গল টাইগার ” ‍মুজিবুল হক চুন্নু কে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »