কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোঃ সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরীর ভৈরবে বিদায় সংবর্ধনা

শামীম আহমেদ :

কিশোরগন্জের জেলা প্রশাসক মোঃ সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরীর ভৈরবে বিদায় সংবর্ধনা দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আজ সকালে এই সম্বর্ধনা অনুষ্ঠানের সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্জ মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়া, পৌর মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা এড, ফখরুল আলম আক্কাছ, সহকারী কমিশনার ( ভূমি) হিমাদ্রি খিসা, ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন, ভৈরব প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যাপক শামসুজ্জামান বাচ্চু, সাধারণ সম্পাদক এস এম বাকি বিল্লাহ, উপজেলা পরিষদ ভাইস- চেয়ারম্যান আল -মামুন, মহিলা ভাইস- চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম, ভৈরব চেম্বার সভাপতি আলহাজ্জ মোঃ হুমায়ূন কবির।অনুষ্ঠানে বক্তারা জেলা প্রশাসক মোঃ সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরীর কর্মময় জীবনের প্রশংসা করেন। তিনি একজন দক্ষ কর্মকর্তা হিসেবে প্রায় ৩ বছর কিশোরগন্জ জেলায় কর্মজীবনে অনেক ভাল কাজ করে গেছেন বলে বক্তারা মতামত ব্যক্ত করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা তার বক্তব্যে বলেন চাকরী জীবনে স্যারের অধীনে কাজ করে অনেক কিছু শিখেছি। এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যত জীবনে উপকৃত হব বলে তিনি জানান। উপজেলা পরিষদ চোয়ারম্যান আলহাজ্জ মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়া জেলা প্রশাসকের কর্মগুলির ভূয়সী প্রশংসা করেন। বিদায় বেদনার হলেও চাকরী জীবনে কাজ করতে গিয়ে বদলী হতে হবে, এটাই বাস্তবতা। তিনি বলেন আমরা তার ভাল কাজগুলি সবসময় মনে রাখব। জেলা প্রশাসক মোঃ সারোয়ার মুর্শেদ চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, কিশোরগন্জ জেলা হলো ভিআইপি জেলা। এই জেলায় বর্তমান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের বাড়ী। এখানে চাকরি করে অনেক অভিজ্ঞতা নিয়ে গেলাম যা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। বিশেষ করে হাওর জনপদের মানুষগুলি কিছুটা অভাবী হলেও তারা ভাল মানুষ। এই জেলায় কাজ করতে গিয়ে আমি কখনও কারো বাধাপ্রাপ্ত বা বিরম্বনায় পরতে হয়নি। কিশোরগন্জ জেলার রাজনীতিবিদ ও মানুষগুলি অনেক ভাল মানুষ। এই জেলায় কর্মময়কালে আমি ভৈরব, মিটামইন ও অষ্টগ্রাম উপজেলাকে সবসময় প্রধান্য দিয়েছি বলে জানান তিনি। রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের ছেলে নাজমুল হাসান পাপনের মত ভাল মানুষের এলাকায় আমি ২ বছর ১০ মাস চাকরি করে গোলাম যা আমার সারা জীবন মনে থাকবে। কিশোরগন্জ জেলায় চাকরির সুবাধে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সাথে আমার একাধিকবার দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। এর চেয়ে সৌভাগ্যবান আর কি হতে পারে। তিনি বলেন চাকরী করতে হলে বদলী হতে হবে। সবার ভালবাসা নিয়ে বিদায় নিব এটাও আমার সৌভাগ্য। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন বলে তিনি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »