September 22, 2021, 9:23 pm
শিরোনাম :
নাটক অঙ্গনে সর্ব মহলে প্রশংসার শীর্ষে হুমায়ূন আহমেদ প্রেমী নাট্য নির্মাতা পার্থিব মামুন কুলিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ভৈরবে আবাসিক হোটেল আল জিহাদে দেহ ব্যবসার অপরাধে ২জন গ্রেফতার কিশোরগঞ্জে কোভিড-১৯ সংক্রমণ মৃত্যুশূন্য, সুস্থ ১০, শনাক্ত ৯ সারাদেশে এবার ইউএনওদের মতো নিরাপত্তা পাবে উপজেলা চেয়ারম্যানরাঃ উচ্চ আদালত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হবে ভৈরবের মেয়ে জোহরার ‘অপেক্ষা’ ভৈরবে “শেখ হাসিনা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়” র অনুমোদন ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে ভাইকে নিজেই হত্যা করে বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের এর স্বীকার টিএইচও ডাঃ জালাল উদ্দীন আহমেদ সিভিল সার্জন হিসেবে পদন্নোতি পাওয়ায় ফুলেল শুভেচ্ছা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ ভৈরব এর আনন্দঘন লঞ্চ ভ্রমণ

পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা নিতে গড়িমসির অভিযোগ

শামীম আহমেদ
  • আপডেটের সময় : Friday, August 20, 2021
  • 126 দেখেছেন:

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জমি নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে নুরু মিয়া (৬০) নামের এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগের ঘটনার চার দিন পেরিয়ে গেলেও মামলা হয়নি। তবে নিহত নুরু মিয়ার পরিবারের দাবি, এ ঘটনায় নিহত নুরুর মেয়ে মোছা. শামসুন্নাহার গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার আহমেদকে প্রধান অভিযুক্ত করে থানায় এজাহার জমা দিয়েছেন। তবে এজাহার জমার পর এক দিন পেরিয়ে গেলেও অভিযোগটি এখনো হত্যা মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়নি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, পৌর শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কামারকোনা এলাকায় নুরু মিয়া তাঁর পৈতৃক বাড়িতে একাই বাস করতেন। পাঁচ মাস আগে সড়ক দুর্ঘটনায় তাঁর স্ত্রী মারা যান। ওই বাড়ির ৮ শতাংশ জায়গা নিয়ে নুরু মিয়ার বোনের মেয়ে নুরুন্নাহারের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। আওয়ামী লীগ নেতা শাহরিয়ার আহমেদও ওই একই এলাকায় বাস করেন। এর আগে নুরু মিয়ার কাছ থেকে তাঁর বাড়ির জমিটি শাহরিয়ার কিনতে চেয়েছিলেন। কিন্তু নুরু মিয়া বিক্রি করতে না চাওয়ায় তাঁর ওপর শাহরিয়ার ক্ষুব্ধ ছিলেন।
নিহত নুরু মিয়ার মেয়ে শামসুন্নাহার অভিযোগ করে বলেন, এরপর থেকে শাহরিয়ারও জমিসংক্রান্ত বিরোধে যুক্ত হন। শাহরিয়ার নুরুন্নাহারের পক্ষ নেন। গত রোববার দুপুরে নুরু মিয়া বিরোধপূর্ণ জায়গাটিতে ঘর নির্মাণ করতে গেলে নুরুন্নাহার ও শাহরিয়ারের বাধার মুখে পড়েন। একপর্যায়ে তাঁদের নেতৃত্বে নুরু মিয়াকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।
তিন দিন পর গতকাল শামসুন্নাহার থানায় যান। ওই সময় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) থানায় ছিলেন না। এরপর শাহরিয়ার, নুরুন্নাহারসহ মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে শামসুন্নাহার থানায় এজাহার জমা দেন। শামসুন্নাহার বলেন, ওই সময় তাঁকে থানা থেকে জানানো হয়, তদন্ত ছাড়া অভিযোগটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করার সুযোগ নেই। আজ বুধবার সকালে কয়েকজন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাহরিয়ারের এক ঘনিষ্ঠজন জানান, ওই জমি কেনা নিয়ে শাহরিয়ারের আগ্রহ ছিল, এটা সত্যি। তবে রোববারের হামলার ঘটনার সঙ্গে শাহরিয়ারের কোনো যোগাযোগ নেই।
শামসুন্নাহার বলেন, ‘বাড়িতে কোনো পুরুষ সদস্য না থাকায় এবং লাশ দাফন ও ময়নাতদন্তসংক্রান্ত জটিলতায় অভিযোগ করতে তিন দিন দেরি হয়েছে। আমাদের ধারণা, শাহরিয়ার আহমেদকে অভিযুক্ত করায় মামলাটি রেকর্ড করা নিয়ে পুলিশ গড়িমসি করছে।’
মামলা রেকর্ড হতে বিলম্বের কারণ জানতে, ওসি এস এম শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। পরে পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন ধরেননি। পরে ডিউটি অফিসারের কক্ষের নম্বরে ফোন দেওয়া হলে সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হামজা খান ফোন ধরেন। মামলাটির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো মামলা হয়নি—এটা জানেন তিনি। তবে মামলা না হওয়ার কারণ তাঁর জানা নেই।
শাহরিয়ারের ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনার পর থেকেই শাহরিয়ার ফোন বন্ধ করে রেখেছেন বলে জানা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাহরিয়ারের এক ঘনিষ্ঠজন জানান, ওই জমি কেনা নিয়ে শাহরিয়ারের আগ্রহ ছিল, এটা সত্যি। তবে রোববারের হামলার ঘটনার সঙ্গে শাহরিয়ারের কোনো যোগাযোগ নেই। শাহরিয়ারকে মামলায় অভিযুক্ত করার পাঁয়তারা চলছে।

এই বিভাগের আরও খবর

Categories

All rights reserved © SA News 24 BD 2020-2021
Theme Development By TechMas