বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভৈরব পৌর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

শামীম আহমেদ:
বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের ভৈরব পৌর শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ১ বছর ১০ মাস পর । ২৭ সেপ্টেম্বর রোববার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয় থেকে ৭১ সদস্যের এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।
এই সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সায়দুল্লাহ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি এস.এম বাকী বিল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আতিক আহমেদ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অরুণ আল আজাদ, ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা যুবলীগ সূত্র জানায়, শাহ নেওয়াজ গাজী উপজেলা যুবলীগের আগের কমিটির সভাপতি ও মোমেনুল হক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। কমিটির মেয়াদ ছিল তিন বছর। কিন্তু শাহ নেওয়াজ ও মোমেনুল কমিটি নেতৃত্ব দেন টানা ১১ বছর। অবশেষে ওই কমিটি ২০১৮ সালের ২৩ নভেম্বর বিলুপ্ত করা হয়। ওই দিনই নতুন কমিটি গঠনের জন্য সম্মেলন আহ্বান করা হয়। কিন্তু সেদিন নানা জটিলতার কারণে সভাপতি হিসেবে ইমরান হোসেন, সাধারণ সম্পাদক আল আমিন ও জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পদে জিল্লুর রহমানের নাম ঘোষণা করা হয়। কথা ছিল অল্প দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার। কিন্তু চেষ্টা করেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা যাচ্ছিল না। অবশেষে আজ রোববার পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে পৌর যুবলীগ পূর্ণতা পেল।
পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি পদে কোনো পরিবর্তন হয়নি। সহ-সভাপতি করা হয়েছে সাতজনকে। অপর ছয়জন হলেন শরীফ আহমেদ, সোহেল বিল্লাহ, সোলমান মিয়া, মামুনুর রশিদ, সাদ্দাম হোসেন ও জুয়েল মিয়া। কমিটির তিন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হলেন ইমরান হোসাইন, কাজী রুবেল ও আরাফাত হোসেন। এ ছাড়া ফয়সাল মোল্লা, তমাল আহমেদ ভূঁইয়া, মো. পাভেল, মিল্লাত হোসেন, সগির আহমেদ ওই কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক।

উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক অরুণ আল আজাদ বলেন, ‘দেরিতে হলেও গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুসরণ এবং যাচাই করে পৌর যুবলীগের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আশা করছি নতুন নেতৃত্ব নিয়ে সংগঠন উপকৃত হবে।’
এ বিষয়ে পৌর যুবলীগের সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, ভালো লাগছে শৃঙ্খলা ধরে রেখে সর্বোচ্চ সহনশীল পরিবেশের মধ্য দিয়ে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ঘোষিত কমিটিতে স্থান পাওয়া না পাওয়া নিয়ে নেতা-কর্মীদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব দেখা যায়নি।

পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় বিলম্ব হওয়ার কারণ জানতে চাইলে সাধারণ সম্পাদক আল আমিন জানালেন, ‘কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কিছু পরামর্শ ছিল। একই সঙ্গে উপজেলা নির্বাচন এবং করোনা পরিস্থিতি আমাদের স্বাভাবিক কাজে বাধার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »