বিবাহিত মেয়েকে অপহরন করে, ছেলেকে আটকে রেখে নির্যাতন প্রাণ ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মা বাবা

শওকত আলী মাষ্টার,বিশেষ প্রতিনিধি :

গত ১৬মে ভোর ৬টায় বারুইচার খামারের চর গ্রামের শাহেদ আলী মিয়ার বাড়ী থেকে একই বাড়ীর ভাড়াাটয়া মারফত আলী মিয়ার বিবাহিত মেয়ে এক সন্তানের জননী লিজা বেগম(২১) কে নিয়ে পাশ্ববর্তী বাড়ীর আব্দুল মঝেিদর দ্বিতীয় ছেলে রিফাত মিয়া(১৬) পালিয়ে যায়।মেয়ের বাবা মারফত আলী তার মেয়েকে ঘরে না পেয়ে ঘটনাটি স্থানীয় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ওই ওয়ার্ডের কমিশনারকে অবহিত করেন। লিজার বাবা মেয়েকে অনেক খোঁজাখোঁজি করে না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পরেন।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায় অপহরনকারী রিফাত মিয়ার বড় ভাই নিশাত মিয়া ও তার আত্মীয় স্বজন রিফাত মিয়াকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য লিজার মা বাবার উপর বিভিন্ন ভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে এবং তাদের প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি প্রদর্শন করে। এক পর্যায়ে অপহৃত লিজার ছোট ভাই হেলিম(১২)কে আটকিয়ে রেখে বিভিন্ন ভাবে নির্যাতন করতে থাকে। উপায়ন্তুর নাপেয়ে লিজার মা বাবা পাশ্ববর্তী থানা ভৈরবে কমলপুর গ্রামের মির
লন মিয়ার বাড়ীতে আশ্রয় নেয়।

পরবর্তিতে উক্ত ঘটনাটি সপ্তাহিক সংবাদ পাতা পত্রিকা অফিসে সম্পাদককে অবহিত করলে সম্পাদক মো: নাজির উদ্দিন  ঘটনাটি সরজমিনে তদন্তের জন্য ঘটনা স্থলে উপস্থিত হন।ততক্ষনাত জড়িত সকল অপরাধীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। সম্পাদক নাজির উদ্দিন এর উপস্থিতি টের পেয়ে আটকৃত হেলিম মিয়াকে তার দুরসম্পর্কের মামাতো ভাই মজিদ মিযার বাড়ীতে রেখে অপহরণকারী রিফাতের বড় ভাই নিশাত, রিফাতের বাবা আব্দুল মজিদ গংরা পালিয়ে যায়।

সম্পাদক নাজির উদ্দিন  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বারুইছার খামারের চর(হাইওয়ে সংলগ্ন) মোরে এসে দাড়ালে হেলিমের মামা আবু তাহের মিয়া স্থানীয় মহিলা কাউন্সিলর রিনা বেগম আটককৃত হেলিমকে হস্তন্তর করেন।

সম্পাদক নাজির উদ্দিন  ভৈরবে কমলপুর মাদ্রাসা মার্কেটের ঢাকা ল্যাবে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের উপস্থিতিতে উদ্ধারকৃত হেলিম(১২)কে তার পিতামাতার নিকট হস্তান্তর করেন।
উক্ত ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধীরা অপহৃত লিজার মা বাবাকে বিভিন্ন ভাবে হূমকি প্রদর্শন করায় আত্মরক্ষার জন্য প্রাণ ভযে বিভিন্নজাযগায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »