ভৈরবের ট্রমা সেন্টারকে উন্নত করার ব্যবস্থা নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১০০ বেড করা হবে : স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ আবদুল মান্নান

স্টাফ রিপোটার: কিশোরগঞ্জের বন্দরনগরী ভৈরবের ট্রমা সেন্টারকে উন্নত করার ব্যবস্হা নিয়ে উপজেলা কমপ্লেক্সকে ১০০ বেড করা হবে। ট্রমা সেন্টারে পিসিআর ল্যাব করা যায় কিনা ভেবে দেখা হচ্ছে । দেশের স্বাস্হ্যখাতে দুর্নীতি বন্ধ করে দেশের মানুষের চিকিৎসা সেবা উন্নত করার ব্যবস্হা নেয়া হয়েছে। তিনি হুসিয়ারী করে বলেন, সেবাখাতে যারা অন্যায় অনিয়ম দুর্নীতির সাথে যুক্ত তাদের কাউকে সরকার ছাড় দিচ্ছেনা। চিকিৎসা দিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করলে কেউ রেহাই পাবেনা। এখন থেকে সারাদেশের জেলা উপজেলা এলাকায় সরকারী বেসরকারী সব হাসপাতালে সাধারণ নিরীহ মানুষকে সেবা দিচ্ছে কিনা তার নজরদারী আমরা বাড়িয়েছি। স্বাস্হ্য সেবা বিভাগের সচিব মোঃ আবদুল মান্নান গত ২৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে ভৈরবের ট্রমা সেন্টার পরিদর্শনকালে একথাগুলি বলেন। এসময় উপস্হিত ছিলেন কিশোরগন্জের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ মজিবুর রহমান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুবনা ফারজানা, উপজেলা স্বাস্হ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ বুলবুল আহমেদ, ভৈরব উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্জ মোঃ সায়দুল্লাহ মিয়া, উপজেলা আ,লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাংগীর আলম সেন্টু, ভৈরব থাসার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহিন ও স্হানীয় ডাক্তারবৃন্দ।সচিব মোঃ আবদুল মান্নান বলেন একজন গরীব মানুষ ডাক্তারের কাছে গেলে অযথা ১০ টি টেস্ট দিবে এসব করতে দেয়া হবেনা। দেশের হাসপাতালে কোটি কোটি টাকার যন্ত্রপাতি বাক্সবন্দি করে নষ্ট করছে এবং কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগ সরকার খতিয়ে দেখছে। অতীতে স্বাস্হ্যখাতে অনেক কিছু হয়েছে এগুলি এখন আর আমরা বলতে চাইনা। মানুষ এখন দেখুক আমরা ভালর দিকে যাচ্ছি। তিনি বলেন ভৈরবের ট্রমা হাসপাতালের কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্হাসহ প্রয়োজনীয় যা যা করার তার ব্যবস্হা নেয়া হবে। ট্রমা হাসপাতালটির জায়গা যেহেতু স্বাস্হ্য বিভাগের তাই হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার জন্য নতুন কিছু করা যায় কিনা খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া ভৈরব উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সকে শীঘ্রই ১০০ বেডে উন্নতি করে এই এলাকার মানুষের চিকিৎসা ব্যবস্হা নির্শ্বিত করা হবে বলে জানান। ইতিপূর্বে যারা স্বাস্হ্যখাতে অন্যায়, অনিয়ম, দুর্নীতি করেছে তাদের কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৬ টায় ঢাকা থেকে ভৈরব ট্রমা সেন্টারে পৌঁছেন। তারপর নবনির্মিত ট্রমা সেন্টারটির বিভিন্ন ভবন ঘূরে ঘূরে দেখেন। পরে স্হানীয় ডাক্তার ও সাংবাদিকদের সাথে কথা বলে সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় তার নিজ এলাকা কিশোরগন্জের কটিয়াদীতে যেতে বিদায় নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »