ভৈরবে ঈদকে সামনে রেখে পুনরায় দোকান পাট খুলায় ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মত

শামীম আহমেদ :
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পুনরায় দোকান পাট খুলায় ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মত ১৬মে থেকে খুলল পোশাক, জুতা, আসবাব, প্রসাধন, ইলেক্ট্রনিক্স, মুঠোফোন, মোটরসাইকেল, তৈজসপত্র, গৃহস্থালিসহ বিভিন্ন পণ্যের দোকান। কিন্তু প্রথম দিনই ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মত। এতে দোকানিদের মুখে হাসি থাকলেও নেই পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা। ক্রেতাদের আনাগুনা দেখে স্বস্থির হাসি যেন চওড়া হয়েছে তাদের।
সরকারের নির্দেশনানুযায়ী ৪৫ দিন পর দোকান-পাঠ খুললেও গত ১২ মে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে করোনা প্রতিরোধ কমিটি ও ভৈরবের নেতৃবৃন্দ আলোচনার মাধ্যমে সর্বসম্মতিক্রমে ১৩ মে থেকে ১৫ মে পর্যন্ত মার্কেট ও দোকানপাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেন। ৩দিন পর ১৬মে শনিবার পূনরায় খুলে দেওয়া হয়।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পযন্ত হলেও দোকাপাট খুলে দেওয়ায় স্বস্থি নিঃশ্বাস ফেলছে ভৈরবের ব্যবসায়ীরা।
সরেজমিনে বাজারে দেখা যায়, নিয়ম অনুযায়ী প্রায় সব দোকানের সামনেই ছিল না পর্যাপ্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা। অনেক দোকানিদের ছিলনা মুখে মাস্ক। আবার কিছু জায়গায় ছিল ভিন্ন চিত্র সেখানে ছিল হাত ধোয়ার ব্যবস্থা। মাস্ক ছাড়া কোনো ক্রেতাকে দোকানে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। দোকানের কর্মচারীদেরকেও মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস পরতে দেখা গেছে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা বলতে এটুকুই। দোকানে ঢোকার আগে ক্রেতাদের তাপমাত্রা মাপার কোনো ব্যবস্থা দেখা যায়নি। ছিল না ক্রেতাদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব। গায়ে গা লাগিয়ে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে ক্রেতাদের। দোকানদারদের মধ্যে ছিল না সচেতনতা করার আগ্রহ।

গত ১৬মে শনিবার সকাল ১০টা থেকে দোকানপাট খুলবে বলে প্রচারণায় প্রশাসনের জোড় ভূমিকা না থাকলেও সকাল ৯টা থেকেই হুমড়ি খেয়ে পড়ে ব্যবসায়ীরা। তবে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় সকাল ৯টা বাজতেই ভৈরব শহরের দোকানপাটে আসতে শুরু করে ক্রেতারা। বাজারে বরাবরের মতই নারীদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত। যদিও ভৈরব সাপ্তাহিক ছুটি রোববার থাকে, তবুও সকাল ১০টার দিকে ভৈরব বাজারের প্রধান প্রধান সড়কে রীতিমতো জ্যামের সৃষ্টি হয় মানুষের ভিড়ে।
ভৈরব বাজার মোবাইল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাহামুদুল হাসান রিগান বলেন, তিনি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন এ ক্লান্তি সময়ে লকডাউন খুলে দেওয়ায় ঈদের আনন্দ কিছুটা হলেও পাওয়া যাবে। তাছাড়া দোকানদাররা যেন এই ভিড়কে নিয়ন্ত্রণ করতে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা পরিচালনায় করেন।
দূরত্ব বজায় রেখে ব্যবসা পরিচালনায় মার্কেট পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে একাধিক টিম কাজ করছে। বার বার সবাইকে জানানো হচ্ছে নিয়ম মেনে ব্যবসা যেন পরিচালনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Translate »